মেহনত যখন ইবাদত: আমাদের কাজে ‘ইহসান’ ও সৃষ্টির সেবা
শিরোনাম: মেহনত যখন ইবাদত: আমাদের কাজে ‘ইহসান’ ও সৃষ্টির সেবা
কাজে ‘ইহসান’ বা আন্তরিকতা একজন মুমিনের কর্মজীবন সাধারণ জীবনধারা থেকে আলাদা। মুমিন কখনো দায়িত্বে অবহেলা করে না কিংবা কাজে ফাঁকি দেয় না। দায়িত্ব যেখানেই হোক—অফিসের জটিল প্রজেক্ট সামলানো কিংবা পরিবারের জন্য ঘরের কাজ করা—সর্বোচ্চ চেষ্টা ও ভালোবাসা দিয়ে সেরাটা দেওয়াই হলো নববী সুন্নাহ। রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন যে, তোমাদের কেউ যখন কোনো কাজ করে, সে যেন তা অত্যন্ত সুনিপুণ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে।” — (শুআবুল ঈমান: ৪৯২৯; সিলসিলাতুস সহিহাহ: ১১১৩)
উম্মাহর কল্যাণ ও সৃষ্টির খেদমত আপনার দক্ষতা, শ্রম বা মেধা দিয়ে যদি কোনো একজন মানুষের জীবন একটু সহজ হয় এবং সমাজের উপকার হয়—তবে সেই বিশুদ্ধ নিয়তই আপনার দৈনন্দিন মেহনতকে ইবাদতে পরিণত করে। এমনকি ঘরে সন্তানকে সুশিক্ষা ও দ্বীনি মূল্যবোধে গড়ে তোলাও উম্মাহর জন্য অন্যতম সেরা খেদমত। রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন:
“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তিনিই, যিনি মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।” — (আল-মুজামুল আওসাত: ৬০২৬; সিলসিলাতুস সহিহাহ: ৯০৬)
আজই বদলে যাক জীবন দেখার চশমা দৈনন্দিন খাটুনিকে কেবল জীবিকা নির্বাহের ক্লান্তি মনে না করে, একে আখেরাতের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করুন। নিয়ত ঠিক থাকলে কম্পিউটারে কাজের প্রতিটি চাপ, কায়িক পরিশ্রমে ঝরা প্রতিটি ঘামের ফোঁটা কিংবা পরিবারকে আগলে রাখার প্রতিটি মুহূর্ত—আল্লাহর দরবারে পরম সওয়াবের মাধ্যম হয়ে উঠবে।
দেশ মাতৃ